মঙ্গলবার দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ৩২ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন দুই হাজার ২০২ জন।
গত সোমবার মহামারি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ৩৬ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন দুই হাজার ২৯৮ জন।
বুধবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১১২টি, জিন-এক্সপার্ট ১৮টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ১০টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭২টি। আগের নমুনাসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৪২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৯ লাখ ১১ হাজার ৬৬৪টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৩ দশমিক ৮৬ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।
একই সময়ে মৃত ২৪ জনের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে দু'জন করে ৬ জন, বরিশাল বিভাগে একজন রয়েছেন। হাসপাতালেই মারা গেছেন ২৪ জন।
মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৪১ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে ৩ জন রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২৬২ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৩২ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৯৩ হাজার ১৩৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮০ হাজার ৪০৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৭২৬ জন।