গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি প্রথম ধরা পরে চীনের উহানে। গত সাড়ে চার মাসেই বিশ্বব্যাপী মরণঘাতী এ ভাইরাসে মারা গেছেন ৩ লাখেরও বেশি মানুষ।
আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, করোনা ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণ হারিয়েছেন ৩ লাখ ০৩ হাজার ৩৫১ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ১০৩। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়েছেন ১৭ লাখ ০৩ হাজার ৭৪২ জন।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে ওয়ার্ল্ডওমিটারের ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও আমেরিকাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করা করোনার তাণ্ডব এখনও চলছে।
চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে জানুয়ারির শেষের দিকে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস দ্রুত চীনের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। বিপদ ঘনিয়ে আসছে জেনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাস সংক্রমণকে গত ১১ মার্চ মহামারি ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করে দেয়।
ভাইরাসটির কোনও চিকিৎসা এখনও খুঁজে পাননি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। তবে আশার বাণী প্রতিনিয়ত শোনাচ্ছেন করোনার ভ্যাকসিন ও প্রতিষেধক তৈরির শতাধিক প্রকল্পের গবেষকরা।
কিন্তু বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, হয়তো এই ভাইরাস কখনই নির্মূল হবে না। প্রাণঘাতী এইডসের মতো এই ভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো চলতে হবে মানব সভ্যতাকে।
এইডস শনাক্তের ৩৯ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এর কোনও ভ্যাকসিন কিংবা প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কার করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ১৯৮১ সালে এইডস প্রথমবারের মতো শনাক্ত হয়; সেই সময় মাত্র দুই বছরের মধ্যে এর ভ্যাকসিন তৈরি করা হবে বলে মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা দিলেও এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি।