করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী মারিয়া বেগোনিয়া গোমেজ।
শনিবার স্পেন সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী মারিয়া বেগোনিয়া গোমেজের করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল ‘পজেটিভ’ এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী দু'জনেই লা মনক্লোয়ায় (মাদ্রিদে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন) আছেন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের বেঁধে দেওয়া নিয়মকানুন মেনে চলছেন।
মহামারী করোনা ভাইরাসে চীন ও ইতালির পর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় রয়েছে স্পেনের নাম। স্পেনে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক দিনে ১ হাজার ৫০০ জন ছাড়িয়েছে। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯১ জনে। এরই মধ্যে মারা গেছে ১৯৬ জন।
এ কারণে শনিবার থেকে দেশটিতে ১৫ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ফলে দেশটির ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। খাবার, ওষুধ ও জরুরি জিনিসপত্র ছাড়া কোন কারণে বাইরে বের হওয়া যাবে না।
এ বিষয়ে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে বলেন, আমরা শীঘ্রই কাজে ফিরে যাবো। তবে সময় আসার আগ পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে, রোববার পর্যন্ত এই ভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৩৫ জন।
পরিসংখ্যান ভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ডোমিটারস জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত ১৫২টি দেশের ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯০ জন মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৫ হাজার ৯২৪ জন।
এই ওয়েবসাইটটি জানাচ্ছে, বর্তমানে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ৬৯ হাজার ১৭৮ জন মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৫২ জনের অবস্থা সঙ্কাটাপন্ন আর ৬৯ হাজার ১৭৮ জনের অবস্থা স্থিতিশীল।
ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চীনে। দেশটিতে ৮০ হাজার ৮৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩ হাজার ১৯৯ জন।
মৃত্যুর দিক দিয়ে চীনের পরেই আছে ইতালি। দেশটিতে ১ হাজার ৪৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া, ইরানে ১২ হাজার ৭২৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৬১১ জন।
-এমএ