বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৬ হাজার ৯০৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৫৭১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ এক হাজার ১৯৪ জন।
সোমবার দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ৩৬ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন দুই হাজার ২৯৮ জন।
গত রোববার মহামারি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ৩১ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন এক হাজার ৬৬৬ জন।
মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৩৭টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১১২ টি, জিন-এক্সপার্ট ১৫টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ১০টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৭ হাজার ২০০টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৮ লাখ ৯৪ হাজার ৬২২টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৩ দশমিক ২৪ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।
একই সময়ে মৃত ৩২ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ জন, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগে একজন করে ৩ জন রয়েছেন। হাসপাতালেই মারা গেছেন ৩২ জন।
মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২১১ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৪৮ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৯২ হাজার ৮৭২ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮০ হাজার ৭৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৭৯৬ জন।