গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫ হাজার ৯৬৬ জনে।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও এক হাজার ৭৩৬ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন ৪ লাখ ১০ হাজার ৯৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৯৬১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯০১ জন।
রোববার দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ১৮ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন এক হাজার ৫৬৮ জন।
গত শনিবার মহামারি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিলো ১৮ জনের। শনাক্ত হয়েছিলেন এক হাজার ৩২০ জন।
রোববার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১২ হাজার ৭৮৫টি। আগের নমুনাসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৮৯১টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭০২টি।
একই সময়ে নমুনা পরীক্ষার হার ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৯ দশমিক ৭৮ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৫ শতাংশ।
২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৫ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও নারী ৫ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন, রাজশাহী বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে দু'জন, সিলেট বিভাগে ৩ জন ও রংপুর বিভাগে একজন রয়েছেন। সবাই হাসপাতালেই মারা গেছেন।
মৃতের মধ্যে ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দু'জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দু'জন রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১৫৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২০২ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৮৬ হাজার ৪০৯ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৭৪ হাজার ৩২৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৮০ জন।
গত ০৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। আর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় আইইডিসিআর।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
৩১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস চালু করা হয়। একই ভাবে শুরু হয় গণপরিবহন চলাচল। কিন্তু মাদ্রাসা বাদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।