
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪ হাজার ২৮ জনে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৫৪৫ জনের মধ্যে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন দুই লাখ ৯৯ হাজার ৬২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৮৮১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৫৬ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১টি আরটি-পিসিআর ল্যাবরেটরিতে ১৪ হাজার ৭৮৮টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৪ হাজার ১৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ লাখ ৭০ হাজার ১৯১টিতে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৪ জন এবং নারী একজন। এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ১৬৯ জন (৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ) এবং নারী ৮৫৯ জন (২১ দশমিক ৩৩ শতাংশ)।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ২০ বছরের বেশি বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব ৬ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১০ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৭ জন ছিলেন।
ঢাকা বিভাগের ছিলেন ২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ জন, রাজশাহী বিভাগের দু'জন, খুলনা বিভাগের ৪ জন, বরিশাল বিভাগের দু'জন, রংপুর বিভাগের একজন ও ময়মনসিংহ বিভাগের ছিলেন দু'জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর রোগী শনাক্ত তুলনায় সুস্থতার হার ৬২ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮০৬ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭১৮ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৬৮ হাজার ৩৩ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৪৭ হাজার ৬৫৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ২০ হাজার ৩৭৫ জন।
গত ০৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। আর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় আইইডিসিআর।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
৩১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস চালু করা হয়। একই ভাবে শুরু হয় গণপরিবহন চলাচল। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।
-এমএ