গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩ হাজার ৯৮৩ জনে।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৪৮৫ জনের মধ্যে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন দুই লাখ ৯৭ হাজার ৮৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৭৮৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৮২ হাজার ৮৭৫ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ ও এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬১ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৪ শতাংশ। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯১টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৩ হাজার ৬৭৫টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩৮২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮টি।
২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও নারী ১১ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন। ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে দু'জন করে ৪ জন, বরিশাল বিভাগে একজন রয়েছেন।
এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৮ জন, বাড়িতে ৪ জন। মৃত্যুদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের উর্ধ্বে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দু'জন রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৪৮৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৮২০ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৬৭ হাজার ২২৭ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৪৬ হাজার ৯৪০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ২০ হাজার ২৮৭ জন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
গত ০৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। আর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় আইইডিসিআর।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
৩১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস চালু করা হয়। একই ভাবে শুরু হয় গণপরিবহন চলাচল। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।
-এমএ