ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
আবরার হত্যা: এবার স্বীকারোক্তি দিলেন অনিক
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:৪৫ পিএম আপডেট: ১৩.১০.২০১৯ ২:৫৬ পিএম
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার তিন নম্বর আসামি অনিক সরকার (২২)। এর আগে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইফতি মোশাররফ সকাল ও মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

শনিবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন অনিক। তিনি বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ।

আদালত সূত্র জানায়, আবরার ফাহাদকে কীভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছেন- স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সেই বর্ণনা দিয়েছেন অনিক সরকার। তবে বর্ণনার বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হয়নি সূত্রটি।

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইকুড়ি গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ও শাহিদা বেগমের ছেলে। বুয়েটের শেরেবাংলা হলে থাকতেন অনিক।

আবরার হত্যার পরের দিন ৭ অক্টোবর অনিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৮ অক্টোবর তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় শনিবার পর্যন্ত মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার আবরার হত্যায় আদালতে প্রথম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিমান্ডে থাকা মামলার ৫ নম্বর আসামি বুয়েটের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবং বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল।

পরদিন শুক্রবার মামলার ৭ নম্বর আসামি বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন আদালতে দ্বিতীয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

প্রসঙ্গত ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এরপর রোববার বিকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকা ফেরেন আবরার। পরীক্ষা থাকায় পড়াল টেবিলে অংক করছিলেন ফাহাদ। রাতে ৮টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে কয়েকজন যুবক ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটায় কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।
তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় বুয়েট শাখার সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৯ জনকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এইচএস
বুয়েটে ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারির রুম সিলগালা
আবরার হত্যা মামলায় মাজেদুল ৫ দিনের রিমান্ডে
দাবি মানার পরও আন্দোলন কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
আবরার হত্যার আসামি শামীম বিল্লাহ গ্রেফতার



Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝