
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের মোটিভটা কী জানার চেষ্টা চলছে। যারা এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল এদের প্রায় সবাইকে আমরা ধরে ফেলেছি। এ পর্যন্ত ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ জন ১৬৪ করেছে (স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন)।
বুয়েট প্রশাসনের সতর্কতা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আরেকটু কেয়ারফুল (সতর্ক) থাকার দরকার ছিল। আরেকটু সতর্ক থাকলে হয়তো আবরার হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা নাও ঘটতে পারতো।
তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি আজও বলছি, অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে, আশা করছি তদন্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রততম সময়ের মধ্যে মামলা তদন্ত সম্পন্ন করবে।
শুক্রবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্রধান ফটক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে আবরার হত্যার মতো কোনো ঘটনা না ঘটে সেজন্য প্রশাসনের প্রতি কী নির্দেশনা দেবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন না ডাক দিলে পুলিশ ভেতরে ঢোকে না, আপনারা সেটা জানেন। এ জায়গাটিতে বুয়েট কর্তৃপক্ষের আরেকটু সতর্ক থাকার দরকার ছিল। আরেকটু সতর্ক থাকলে হয়তো এ ধরনের ঘটনা নাও ঘটতে পারতো। ভবিষ্যতে প্রশাসন ছাত্রদের প্রতি আরও নজর দেবে, দায়িত্ববান হবে বলে মনে করি।
সাথে সাথে আমি আহ্বান রাখবো, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড, এ ধরনের মেধাবী ছাত্র যারা কি না আমাদের ভবিষ্যত, যে প্রজন্মকে নিয়ে আমরা অহংকার করি, এ ধরনের ঘটনায় যাতে তারা হারিয়ে না যায়, যারা এ কাজটি করেছেন, এর মতো খারাপ কাজ, এর মতো গর্হিত কাজ এর আগে আর ঘটেনি।
আবরার হত্যার পেছনে মূল কারণ কী জানতে চাইলে বলেন, এ খুনের পেছনে কারণটা কী এটা আমাদের দেখতে হচ্ছে। যারা ধরা পড়ছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তদন্ত চলছে, এর পেছনে মোটিভটা কী জানার চেষ্টা চলছে। এমনি এমনি একজন আরেকজনকে হত্যা করবে এটা যেমন বিশ্বাসযোগ্য নয়, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে, আরও কিছু উদ্দেশ্য আছে। এর সবই আমরা খতিয়ে দেখছি।
এইচএস
আবরার হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা পেলেই গ্রেফতার: মনিরুল ইসলামআবরার হত্যা : সিলেট থেকে মাজেদুল গ্রেফতার