ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত শিশু গ্রুপ ও হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে স্থানীয় বাছির মেম্বারের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
হোসেন গ্রুপের পক্ষ থেকে আহমেদ হোসেন অভিযোগ করেন, বাজার এলাকায় তাদের লোকজনের ওপর শিশু গ্রুপের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালায়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিশু গ্রুপের প্রধান আতিকুর রহমান শিশু। তিনি দাবি করেন, হোসেন গ্রুপের লোকজন তাদের এক কর্মীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে, যার ফলে তার একটি চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা আত্মরক্ষার্থেই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন বলে তিনি জানান।
আতিকুর রহমান শিশু রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও নাকচ করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক থাকলেও তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করেননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে বাজার এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি মালামাল লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতির কারণে কিছু সময়ের জন্য ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
নবীনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত শিশু গ্রুপ ও হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে স্থানীয় বাছির মেম্বারের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
হোসেন গ্রুপের পক্ষ থেকে আহমেদ হোসেন অভিযোগ করেন, বাজার এলাকায় তাদের লোকজনের ওপর শিশু গ্রুপের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালায়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিশু গ্রুপের প্রধান আতিকুর রহমান শিশু। তিনি দাবি করেন, হোসেন গ্রুপের লোকজন তাদের এক কর্মীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে, যার ফলে তার একটি চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা আত্মরক্ষার্থেই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন বলে তিনি জানান।
আতিকুর রহমান শিশু রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও নাকচ করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক থাকলেও তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করেননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে বাজার এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি মালামাল লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতির কারণে কিছু সময়ের জন্য ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।”
ঘটনার পর পুরো টিয়ারা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এমএসপি/ এসআর
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।”
ঘটনার পর পুরো টিয়ারা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এমএসপি/ এসআর