Thursday | 4 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Thursday | 4 June 2026 | Epaper
BREAKING: যেসব গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার       প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি: গ্রেপ্তার ২      আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার প্রমাণ স্পষ্ট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      বন্ধ কল কারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত      রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার      যুবদলের সভাপতি মুন্না, সম্পাদক নয়ন       বিহারে আইসিইউতে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৪      

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগ বেবিচক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম   (ভিজিট : ৩৮)

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পদোন্নতি লাভের অভিযোগও করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বেবিচক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মো. শরিফুল ইসলাম ২০০১ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে চাকরিতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি সদর দপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার পিতা মো. মোশাররফ হোসেনের মুক্তিযোদ্ধা সনদের ভিত্তিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, মো. মোশাররফ হোসেনের মুক্তিযোদ্ধা সনদটি ভুয়া ও প্রশ্নবিদ্ধ। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই–সংক্রান্ত নথিপত্রেও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৯ সালের ২৬ অক্টোবর ইস্যুকৃত একটি মুক্তিযোদ্ধা সনদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আহাদ চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সনদে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকার বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, এ ধরনের সনদে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকা অস্বাভাবিক এবং এটি সনদের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে।

এছাড়া বর্তমানে প্রকাশিত গোপালগঞ্জ জেলার গেজেটভুক্ত ৬৪০ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় মো. মোশাররফ হোসেন, পিতা মৃত মো. লোকমান মোল্লার নাম পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট সনদের বৈধতা ও সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি গ্রহণের বৈধতা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুধু চাকরিই নয়, পদোন্নতি নিয়েও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তি থাকা সত্ত্বেও ৫ আগস্ট–পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ঘরানার কর্মকর্তা হয়েও তিনি পদোন্নতি লাভ করেন। একই সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক অনিয়মের মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলী পদ থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে উন্নীত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব পদোন্নতি সরকারি চাকরি বিধিমালা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার পরিপন্থী। বিষয়টি বেবিচকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি গ্রহণ এবং অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পদোন্নতি লাভের অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আরএন





LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close