📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
স্কুলের নলকূপে বিষ প্রয়োগ, পানি পান করে ৩২ শিক্ষার্থী অসুস্থ
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
X Advertisement

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নলকূপের পানিতে বিষাক্ত পদার্থ মেশানোর ঘটনায় ৩২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা বিদ্যালয়ের নলকূপে কৃষিজমিতে ব্যবহৃত তরল কীটনাশক বা বিষ জাতীয় পদার্থ ঢেলে দেয়। বিষয়টি না জেনে শিক্ষার্থীরা ওই নলকূপের পানি পান করার পরপরই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মধ্যে ২৯ জনকে ভর্তি করেন। গুরুতর অবস্থায় দুজনকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সকালে শিক্ষার্থীরা পানি পান করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চিকিৎসাধীন এক শিক্ষার্থী জানায়, কিছু শিক্ষার্থী ঝালমুড়ি খাওয়ার পর এবং কেউ প্রচণ্ড গরমে পানি পান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এতে একের পর এক শিক্ষার্থী বমি করতে শুরু করে।

মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জজ কামাল বলেন, “কে বা কারা নলকূপে কীটনাশক বা বিষ জাতীয় পদার্থ দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা জরুরি।”

নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাদীর আহামেদ জানান, নলকূপের পাশে পলিথিনে ভরা সাদা পেস্ট জাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি পানির সঙ্গে মিশে বিষক্রিয়া ঘটিয়েছে।

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর বলেন, “৩২ জন শিক্ষার্থী বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসে। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেশিরভাগই স্থিতিশীল রয়েছে।”

নাগরপুর থানার ওসি মো. জহুরুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীরা বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরফান উদ্দিন জানান, নলকূপের পানি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএইচএল/এসআর
আরো দেখুন

Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
E-mail: online@dailyobserverbd.com mailobserverbd@gmail.com
🔝