নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ মিয়া (৪০) এবং একই এলাকার শাহিন মিয়া (৩৮)।
ভুক্তভোগী নারীকে ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত যুবদল নেতা শহীদ মিয়াসহ কয়েকজন তার মুখ চেপে ধরে এবং সন্তানদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তার হাত ও মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযুক্তরা তাকে ওই কক্ষে রেখে চলে যায়। সন্ধ্যায় তার স্বামী বাড়িতে ফিরে এলে ভুক্তভোগী নারী তাকে ঘটনার বিস্তারিত জানান।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী শুক্রবার সকালে সোনারগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সিরাব এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ওই নারী সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে শনিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
সোনারগাঁও থানার ওসি মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীকে ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এমএইচ/আরএন