নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়ন থেকে অহিদা আক্তার শিখা (২১) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পূর্ব শোশালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত শিখা উপজেলার শোশালিয়া গ্রামের আমজাদ উদ্দিন মুন্সি বাড়ির মোরশেদ আলম-এর স্ত্রী এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার উত্তর ডল্টা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লা-এর মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে মোরশেদ আলমের সঙ্গে শিখার বিয়ে হয়। মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই মাইনউদ্দিন বলেন, “ময়নাতদন্তের জন্য বোনের মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এনেছি। এ বিষয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ থাকলে পরে পুলিশকে জানানো হবে।”
চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস দিয়ে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমআর/এসআর