Tuesday | 2 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Tuesday | 2 June 2026 | Epaper
BREAKING: বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা কাল      মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ      দেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু      কমলো এলপি গ্যাসের দাম      আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার না করতে নির্দেশনা      পশ্চিমবঙ্গের সরকারে নেই মুসলিম প্রতিনিধি      দাম কমেছে স্বর্ণের       

স্বামীর পাশে শায়িত হলেন স্ত্রী ও তিন সন্তান

প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম   (ভিজিট : ২৬)

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর পর তাদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

শনিবার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে চারজনের লাশ দাফন করা হয়। এর আগে উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠে চারজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসী জানান, ওই বাড়ির আবুল কালাম (৪৮) প্রায় ৩০ বছর আগে কাজের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমান। দীর্ঘদিন তিনি নারায়ণগঞ্জে সবজির ব্যবসা করেন। একপর্যায়ে উজিরপুরের সালমা নামের এক নারীকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। তাদের সংসারে একে একে তিন সন্তান জন্ম নেয়। পরে তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে ফতুল্লায় একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

কয়েক দিন আগে ওই বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দেয়। বিষয়টি কালাম বাড়ির মালিক ও দারোয়ানকে জানান। তবে তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। গত রোববার ভোরে কালাম তরকারি গরম করার জন্য লাইটার দিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি ও পরিবারের পাঁচ সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার আবুল কালামের মৃত্যু হয়। ওই দিনই তার লাশ বাড়িতে এনে দাফন করা হয়। এরপর বুধবার ছোট মেয়ে কথা মনি (৭), বৃহস্পতিবার ছেলে মুন্না (৮) ও মেয়ে মুন্নি (১০), এবং শুক্রবার স্ত্রী সালমা (৩২) মারা যান।

নিহতের মেঝো ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, আগুনে কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সালমার ৬০ শতাংশ, মুন্নির ৩৫ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ এবং মুন্নার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

নিহত কালামের ভাইয়ের মেয়ে মেঘলা (২৫) বলেন, “তারা ৩০ বছর ধরে ফতুল্লায় থাকতেন। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করে বাড়িতে একটি ঘর তুলেছিলেন, যার নির্মাণকাজ এখনো বাকি ছিল। কথা ছিল কোরবানির ঈদে এসে বাকি কাজ শেষ করে পুরো পরিবার নিয়ে গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করবেন। ঠিকই তারা বাড়ি ফিরেছেন, তবে কফিনবন্দি লাশ হয়ে।”

স্থানীয় বাসিন্দা টিপু মুন্সী বলেন, “এমন শোক মেনে নেওয়ার মতো না। একই পরিবারের পাঁচজন একসঙ্গে মারা গেলেন—একজনও বেঁচে নেই। পুরো পরিবারটি শেষ হয়ে গেল।”

এএস/আরএন




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close