নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি পুরাতন বসতবাড়ি ভাঙার সময় মাটির নিচ থেকে বিশাল আকৃতির একটি প্রাচীন মটকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুরোনো এই মটকাটির ভেতরে গুপ্তধন থাকতে পারে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মটকাটি দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমান শত শত উৎসুক জনতা।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে নির্মাণকাজে মাটি খননের সময় মটকাটি বেরিয়ে আসে। পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে খবর দেয়া হলে এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটির নির্মাণকাজে মাটি খননের সময় মাটির বেশ গভীরে থাকা বিশালাকার পাত্রটি অক্ষত অবস্থায় দেখে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। প্রাচীনকালের মানুষ মূল্যবান জিনিসপত্র সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের মটকা ব্যবহার করত-এমন বিশ্বাস থেকেই গুপ্তধনের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
সাবেক কমিশনার সুলতান আহমেদ জানান, মটকাটি উদ্ধারের পর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। মটকাটির ভেতরে আসলে কী আছে এটি কতটা প্রাচীন, তা তাদের বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
খবর পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তানভীরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি জানান, মটকাটি শত বছরের পুরনো হবে। এটি আগের দিনের মানুষ পানি সংগ্রহে অথবা ধান চালসহ বিভিন্ন সামগ্রী সংগ্রহে রাখতো। এটি অবশ্যই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। এ বিষয়ে আমি উর্ধ্বতনদের জানাবো। এটি আমরা উদ্ধার করে আমাদের সংগ্রহে রাখবো।
এসএস/এসআর