বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া প্রথম পছন্দের দেশ হিসেবে উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় ছিলো ভারত, থাইল্যান্ড, চীন ও সিঙ্গাপুর, তবে এখন অধিকাংশ রোগী মালয়েশিয়াকে বেছে নিচ্ছেন।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, অত্যাধুনিক রোবটিক প্রযুক্তি এবং থাইল্যান্ডের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম খরচে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়। মালয়েশিয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা খরচের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে, ফলে দেশী-বিদেশী সবাই একই খরচে সেবা পান।
ক্যান্সার, হৃদরোগ, অর্থোপেডিক সার্জারি, জটিল অপারেশন, বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা ও উন্নত ডায়াগনস্টিক সেবার ক্ষেত্রে রোগীরা দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তি চাইছেন। এসব ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া এখন শক্তিশালী ও আস্থার নাম। বিশেষ করে সিঙ্গাপুরের তুলনায় চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ কম, যা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও দীর্ঘসময় হাসপাতালে থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
মালয়েশিয়ায় ভিসা সহজলভ্যতা, মুসলিম বান্ধব পরিবেশ, হালাল ও বাংলাদেশি খাবারের সহজলভ্যতা এবং আরামদায়ক থাকার সুযোগও রোগীদের জন্য একটি বড় সুবিধা।
বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে সানওয়ে মেডিকেল সেন্টার, যা মালয়েশিয়ার বৃহত্তম বেসরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল। এখানে রয়েছে ৮৪৮ শয্যা, ২৮টি সেন্টার অব এক্সেলেন্স এবং ৬০টির বেশি চিকিৎসা বিশেষায়ন। সানওয়ে হাসপাতাল যুক্তরাষ্ট্রের JCI, অস্ট্রেলিয়ার ACHS এবং MSQH তিনটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এছাড়া নিউজউইকের “ওয়ার্ল্ড বেস্ট হসপিটাল-২০২৫” তালিকায় মালয়েশিয়ায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
বাংলাদেশি রোগীদের সুবিধার জন্য সানওয়ে হাসপাতাল এখন ঢাকায় জেজি হেলথকেয়ার লিমিটেড এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করছে। রোগীরা এখানে পাবেন ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, চিকিৎসা পরিকল্পনা ও খরচের প্রাক্কলন, ভিসা ও ফ্লাইট সহায়তা, থাকার ব্যবস্থা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবা, মালয়েশিয়ায় অন-গ্রাউন্ড কো-অর্ডিনেশন এবং দেশে ফেরার পর ফলো-আপ সেবা।
এসআর