চিংড়িতে জেলি বা অন্যান্য পদার্থ পুশ করে কৃত্রিমভাবে ওজন বাড়ানোর অভিযোগে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিভিন্ন ডিপোতে অভিযান চালিয়েছে মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (এফআইকিউসি), খুলনা এবং ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।
সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ডুমুরিয়া, খর্নিয়া, শোলগাতিয়া ও চুকনগর বাজারে একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে খর্নিয়া বাজারের মেসার্স মোল্লা ফিস-কে লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডিপো পরিচালনার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, চুকনগর বাজারের মেসার্স মডেল ফিস-এ পুশকৃত চিংড়ির প্রমাণ পাওয়ায় প্রায় ৪০ কেজি পুশকৃত চিংড়ি ও ৫ কেজি জেলি জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, ডুমুরিয়া বাজারের মেসার্স তমা ফিস, মেসার্স মোল্লা ফিস এবং রুদাঘরা ইউনিয়নের শোলগাতিয়া মৎস্য আড়তও পরিদর্শন করা হয়। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে কোনো পুশকৃত চিংড়ি পাওয়া যায়নি।
অভিযানে এফআইকিউসি খুলনার সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবুল হাসান, ডুমুরিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান, এফআইকিউসি খুলনার ইন্সপেক্টর মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী কেএম মহসিন আলম, অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহসহ দপ্তরের অন্যান্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “পুশকৃত চিংড়ি শুধু প্রতারণাই নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে।”
এসএস/আরএন