পুরো ম্যাচজুড়ে বল ও আক্রমণের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। লা রোজা গোলের উদ্দেশ্যে মোট ২৭টি শট নেয়, যেখানে কেপ ভার্দের শট ছিল মাত্র ৬টি। স্পেনের ৭টি শট লক্ষ্যে থাকলেও সেগুলোর একটিও জালে জড়াতে পারেনি। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার।
৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে মিকেল ওইয়ারসাবাল, এমেরিক লাপোর্তে ও ফেরান তোরেসের নিশ্চিত গোলের সুযোগ নস্যাৎ করে দেন তিনি। এছাড়া তোরেসের একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
প্রথমার্ধে বারবার ভোজিনিয়া ও কেপ ভার্দের দৃঢ় রক্ষণভাগে আটকে যাচ্ছিল স্পেনের আক্রমণ। বিরতির আগে তোরেসের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের হেডও অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ভোজিনিয়া। শেষ মুহূর্তে তোরেস ও লাপোর্তের আরও দুটি নিশ্চিত সুযোগ রুখে দিয়ে দলকে স্বস্তিতে রাখেন তিনি।
অন্যদিকে, কেপ ভার্দেও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্পেনের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে কার্যকর ফিনিশারের অভাবে তারা গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও স্পেনকে আটকে রাখে কেপ ভার্দে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট না হওয়া লামিন ইয়ামালকে মাঠে নামান স্পেন কোচ। কিন্তু তাতেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি।
শেষ পর্যন্ত স্পেনের তারকাবহুল আক্রমণভাগকে নিষ্প্রভ করে রাখে কেপ ভার্দে। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিয়ে স্মরণীয় এক ফল নিজেদের করে নেয় আফ্রিকার নবাগত দলটি।