পটুয়াখালীর দশমিনায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত চার শ্রমিক।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আউলিয়াপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের রওশন আলী প্যাদার ছেলে বেল্লাল হোসেন (৩৫) ও কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামের বেল্লাল হোসেনের ছেলে মো. ইউসুফ (৩১)। ইউসুফের শ্বশুড় বাড়ি দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামে। সেখানে বসবাস করেই বিভিন্ন জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপনের শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি।
আহতরা হলেন- শ্রমিক রাকিব (১৭), রনি (১৮), মারুফ (১৯) ও রিফাত (২১)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের জনৈক শানু হাওলাদারের বাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রথম পর্যায়ের লোহার মোটা খাম্বা বসানোর কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে খাম্বা হেলে পাশেই পল্লী বিদ্যুৎ সঞ্চালন মেইন লাইনের তারের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন শ্রমিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন শ্রমিক রাকিব, রনি, মারুফ ও রিফাত। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু'জনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের সেখানে ভর্তি করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাবেয়া স্বর্ণা ডেইলি অবজারভারকে বলেন, 'বেল্লাল ও ইউসুফকে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্যদের চিকিৎসা চলছে।'
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম ডেইলি অবজারভারকে বলেন, 'এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতদের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় মরদেহ যার যার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'
এসটি/এমএ