ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা রাঙালো স্কটল্যান্ড
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:১৫ এএম
X
Advertisement

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ ব্যবধানে হারলো ৫২ বছর পর ফেরা হাইতি। প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। ওই গোলেই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ হয়ে যায়। তবে ছেড়ে কথা বলেনি হাইতি। চালিয়েছে একাধিক আক্রমণ।

রোববার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন স্টেডিয়ামে ২৮ মিনিটে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে দেওয়া গোলটি করেন জন ম্যাকগিন।

ম্যাচ হারলেও স্কটল্যান্ডকে তুমুল চাপে রাখে হাইতি। ম্যাচ শেষে আক্রমণে এগিয়ে ছিল তারাই। একাধিক গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে আর জেতা হয়নি। ম্যাচে বল দখল দুই দলই ছিল সমানে-সমান। সঠিক পাস ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল হাইতি। ১৩ শট নেয় হাইটি, ৮টি নেয় স্কটিশরা। দুই দলই লক্ষ্যে রাখে সমান ৩টি।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে স্কটল্যান্ডের হাইকির থ্রো-ইন করেন ডান দিক থেকে। যদিও হাইতির ফরোয়ার্ডদের চাপে পড়ে স্কটিশরা। বাধ্য হয় পেছনে খেলতে। এরপর অবশ্য ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে যান বেন ডক। এরপর শট নিলেও সেটি তেমন জোরালো ছিল না। সহজেই ধরে ফেলেন হাইতির গোলরক্ষক।

পঞ্চম মিনিটে ম্যাচে প্রথম আক্রমণে যায় হাইতি। ডিডসন লউইসিয়ুস বক্সের বাইরে থেকে শট নেন, তবে বলটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে অনেকটা দূর দিয়ে পোস্টের বাইরে চলে যায়। ফলে স্কটল্যান্ডের গোলের কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি হাইতি।

১৭ মিনিটে স্কটল্যান্ডের ম্যাকটমিনের শট পোস্টে লাগলে হতাশ হয় স্কটিশ দর্শক ও খেলোয়াড়রা। বেন ডক ডিফেন্সিভ ক্লিয়ারেন্স নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান প্রান্তে বল ধরে রাখেন। চাপের মধ্যেও তিনি বলের দখল হারাননি। এরপর তিনি বল পাস দেন স্কট ম্যাকটমিনেকে। বক্সের বাইরে থেকে প্রথম টাচেই ইনস্টেপ শটে গোলের চেষ্টা করেন, কিন্তু বলটি পোস্টে গিয়ে জোরে আঘাত করে ফিরে আসে

২১ মিনিটে হাইতির দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক। বাম প্রান্তে বক্সের ধার ঘেঁষে উইলসন ইসিডোর পড়ে যান এবং ফাউলের আবেদন জানিয়ে হাত তুলেন। তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি।

এতক্ষণ দুই দলই চেষ্টা চালালেও আসেনি গোল। ২৮ মিনিটে ডান প্রান্তে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান বেন ডক। তিনি দ্রুত গতিতে গোললাইন পর্যন্ত এগিয়ে গিয়ে সে অ্যাডামসকে বল বাড়িয়ে দেন। তার নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন অ্যাডামসের শট গোলরক্ষক। ফিরতি বলে ফাঁকায় পাওয়া জন ম্যাকগিনের শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড।

পিছিয়ে পড়ার ৩৪ মিনিটে মাঝমাঠের কাছাকাছি জায়গা থেকে ফ্রি-কিক পায় হাইতি। ফ্রি-কিকটি বক্সের ভেতরে পাঠানো হয়, তবে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা ঠিকমতো হেডে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। এর আগে অ্যান্ডি রবার্টসনের বিরুদ্ধে কার্লনেস আর্কুসকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে ফাউল দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক রবার্টসন লাইন্সম্যানের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ৩৮ মিনিটে হাইতির ফরোয়ার্ডরা দারুণ সমন্বয়ে আক্রমণ তৈরি করলেও সেটি কাজে দেয়নি।

৪০ মিনিটে স্কটল্যান্ডে ফ্রি-কিক পায়। হাইতির উইলসন ইসিডরের ফাউলের কারণে সেট-পিস পায় তারা। অ্যান্ডি রবার্টসনের নেওয়া ক্রস বক্সের ভেতরে পড়ে, যা হাইতির একজন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বাউন্স করে। তবে তার সতীর্থ দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বলটি ক্লিয়ার করে দেয়। ফলে স্কটল্যান্ডের সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়।

২৮ মিনিটে ম্যাকগিনের করা গোলেই ১-০ তে এগিয়ে বিরতিতে যায় স্কটল্যান্ড।

বিরতির পর খেলা মাঠে ফিরলে হাইতি আরও চাপ দেয় স্কটল্যান্ডকে। ৫৮ মিনিটে পেছন থেকে হাইতি থেকে আক্রমণ গুছিয়ে তোলার চেষ্টা করে এবং বক্সের ডাকেন্স নাজন পিয়েররোটের দিকে একটি কিলার ক্রসের চেষ্টা চালায়। তবে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার তাকে শক্তভাবে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করে দেয়। এরপর ডান প্রান্তে চাপের মধ্যে পড়ে বল ধরতে গিয়ে কেভিন প্রভিডেন্স। আদায় করে নেয় ফাউল। প্রতিপক্ষ তাকে জোর করে টেনে ফেলে দেয়। ফলে হাইতি আবার একটি ফ্রি-কিক পায়।

৬৫ মিনিটে হাইতি বল পজেশনে অনেক ভালোভাবে এগোয়। বিশেষ করে লুডোভিক ক্যাসিমির মাঠে নামার পর থেকেই। তিনি নিয়মিত ডান প্রান্তে ভালোভাবে আক্রমণ তৈরি করার চেষ্টা চালান।

৭৩ মিনিটে অ্যারন হাইকি হাইতির ক্লিয়ারেন্স হেড করে আবার বিপজ্জনক জায়গায় পাঠান। সেখানে অপেক্ষায় থাকা জন ম্যাকগিম বল পেয়ে দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে জোরালো শট নেন, কিন্তু তা অল্পের জন্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

৭৭ মিনিটে ক্যাসিমির আবার কর্নার কিক নেন, যা হেড করে ক্লিয়ার করা হয়। তবে বল খুব দূরে না গিয়ে আবার বক্সের ভেতরে ফেরত আসে। এবার সুযোগ নেন লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড। জোরালোভাবে বল ক্লিয়ার করেন, কিন্তু সঠিকভাবে করতে পারেননি। ফলে হাইতি সহজেই আবার বলের দখল ফিরে পায় এবং আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়।

এভাবে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরানোর মতো কোনো গোলের দেখা পায়নি হাইতি। তবে তাদের চেষ্টায় মুগ্ধ হয়েছে সমর্থকরা। অতিরক্ত ৬ মিনিটের খেলায়ও চেষ্টা চালায়। তবে শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।

আগামী ২০ জুন ব্রাজিলের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে মাঠে নামবে ব্রাজিল। একই দিন মরক্কোর বিপক্ষে খেলবে স্কটল্যান্ড।

এমএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement