নীলফামারীর জলঢাকায় ‘স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী’ প্রতিনিধি পরিচয়ে নকল ঔষধ বাজারজাত করার সময় মৃনাল অধিকারী নামে এক যুবককে আটক করে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার রাতে উপজেলার জিরো পয়েন্টস্থ মেসার্স অনিন্দ্য ফার্মেসীতে নকল ঔষধ বিক্রির করার সময় তাকে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মৃনাল অধিকারী ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চাপানী এলাকার বাসিন্দা।
আটকের সময় তার নিকট থেকে ‘জিম্যাক্স-৫০০’ নকল ঔষধের ৪৮টি বক্স (প্রতি বক্সে ১৪ পিস) জব্দ করা হয়।
জানা যায়, রাত ৯টার দিকে অনিন্দ্য ফার্মেসীতে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীর প্রতিনিধি পরিচয়ে জিম্যাক্স ৫০০ ট্যাবলেট বিক্রি করতে আসে মৃনাল। এ সময় ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি (বিসিডিএস) জলঢাকা উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুবার রহমানের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞেসাবাদ করে। একপর্যায়ে তার কথায় ও আচরণে সন্দেহ হলে তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনকে জানানো হয়। পরে অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি আদালত
স্কয়ার কোম্পানিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।
সে সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহদি হাসান ও জলঢাকা থানার পুলিশের সদস্যরা।
বিসিডিএস জলঢাকা উপজেলা শাখা সভাপতি মাহবুবার রহমান বলেন, 'ঔষধসহ নকল ঔষধ বিক্রেতাকে আটকের পর সর্বপ্রথম জেলা ঔষধ প্রশাসনের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মিতা রায়কে বিষয়টি জানানো হলে তিনি নকল ঔষধের অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়টি কোনো প্রকার গুরুত্ব না দিয়ে পুরোপুরি এড়িয়ে যান।'
এইচএস/এমএ