ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ঈদের অগ্রিম যাত্রার ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে। আর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ১৩ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত।
এবারও ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার সব টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। একজন যাত্রী অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে একবারে সর্বোচ্চ চারটি করে টিকিট কিনতে পারবেন।
টিকিট সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজ করতে সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে ইস্যু করা হবে।
রেলওয়ে আশা করছে, নির্ধারিত সময়সূচি ও অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ঈদযাত্রায় যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ রেলওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩ মার্চ বিক্রি করা হবে ১৩ মার্চের যাত্রার টিকিট। ৪ মার্চ পাওয়া যাবে ১৪ মার্চের টিকিট। একইভাবে ৫ মার্চ বিক্রি হবে ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ ১৬ মার্চের, ৭ মার্চ ১৭ মার্চের, ৮ মার্চ ১৮ মার্চের এবং ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে ১৯ মার্চের যাত্রার অগ্রিম টিকিট।
ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।
ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ। সেদিন বিক্রি করা হবে ২৩ মার্চের টিকিট। ১৪ মার্চ পাওয়া যাবে ২৪ মার্চের টিকিট, ১৫ মার্চ ২৫ মার্চের, ১৬ মার্চ ২৬ মার্চের, ১৭ মার্চ ২৭ মার্চের, ১৮ মার্চ ২৮ মার্চের এবং ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে ২৯ মার্চের ফিরতি যাত্রার টিকিট।
এবার ঈদযাত্রায় নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সামাল দেওয়া সহজ হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার কোনও টিকিট রিফান্ড করা যাবে না। তবে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণী ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
এসআর