ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বিয়ে বাড়িতে যাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া (৫০) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ধরমণ্ডল গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত জিতু মিয়া ধরমণ্ডল গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে এবং তিনি ধরমণ্ডল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে জিতু মিয়ার গোষ্ঠী ও রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতো।
সোমবার ধরমণ্ডল গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে জিতু মিয়ার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজন আপত্তি জানালে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের গোষ্ঠীর লোকজন প্রতিশোধ হিসেবে রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর কিছু বাড়িতে আগুন দিয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহতের মরদেহ বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি।”
এসআর/আরএন