ভোলার মনপুরায় ভূমিকম্পের কারণে ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে। এতে পুরো দ্বীপের বাসা-বাড়ি, মসজিদ-মাদ্রাসা, উপজেলার দালান-কোঠা ও হাসপাতালের ভবন কেঁপে ওঠে। শুক্রবার ভোর ৬টায় এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।
মনপুরা উপজেলার ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ও দারুস সুন্নাহ ফজলুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম এনায়েত উল্লাহ নুরনবী জানান, ফজরের নামাজ আদায়ের সময় মসজিদে অবস্থানকালে পুরো মসজিদ কাঁপতে থাকে।
স্থানীয় সাংবাদিক সজিব মোল্লা ও মো. রাকিব জানান, ভোরে ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। এ সময় বাসা-বাড়ি কাঁপতে থাকে।
উপজেলার মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা আয়শা ছিদ্দিকা বিথী, হুমায়ুন আবদুল্লাহ, আকলিমা, মোস্তাফিজ, সাউদা, নুসাইবা ও আরওয়া সহ অনেকে জানান, ভূ-কম্পনের সময় তাদের বাসা-বাড়ি কাঁপতে থাকে। পাশাপাশি পুকুরের পানিও টলমল করতে দেখা যায়।
এছাড়া হাজিরহাট মার্কাজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মো. ইউসুফ জানান, ফজরের নামাজের সময় পুরো মসজিদ কেঁপে ওঠে।
জানা যায়, ভারতের মণিপুর ও আসামসহ আশপাশের এলাকায় সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা উপকূলে এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতের মণিপুরে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানসহ ভোলার মনপুরায় ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩.৫।
এপি/আরএন