সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আকাশে নতুন করে তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে ড্রোনগুলো রিয়াদের কোন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল এবং সেগুলো কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে রিয়াদে একাধিকবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। তবে এসব হামলার উৎস সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ওই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।
মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সৌদি আরবকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় যুক্ত হলে সৌদি আরবের জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে যুবরাজ প্রস্তাবটি গ্রহণ করেননি বলে সূত্রটি দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব বা ইসরায়েল সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। মরক্কোও একই বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়। সুদানের ক্ষেত্রেও সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা সম্পূর্ণ হয়নি।
সৌদি আরবের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ইসরায়েলের কূটনৈতিক লক্ষ্যগুলোর অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু আব্রাহাম চুক্তির আওতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
এসএস