ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বাজারে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না: শিক্ষামন্ত্রী
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৬ পিএম আপডেট: ০২.১০.২০২৬ ৮:১৯ পিএম
X
Advertisement

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী রহিমানগর বাজারে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না। ব্যবসায়ীদের বাইরে অন্য কেউ বাজার কমিটিতে থাকতে পারবেন না। রহিমানগর বাজারে কারা চাঁদাবাজি করছেন, তা তিনি জানেন বলেও মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কচুয়ার রহিমানগর ডিগ্রি কলেজ মাঠে স্থানীয় রহিমানগর বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে সভাস্থলে উপস্থিত হন শিক্ষামন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী নাজমুন নাহার বেবী। সভা চলাকালে বাজার কমিটি নিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী হঠাৎ চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

একপর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে ১১ নম্বর গোহট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও রহিমানগর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ফারুকী এবং তাঁর অনুসারীরা সভামঞ্চে উঠে যান। এ সময় বক্তব্যরত আয়োজক কমিটির সদস্য আনোয়ার ও কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সভামঞ্চে উপস্থিত কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায়, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্যদের এ সময় সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

পরিস্থিতি শান্ত হলে শিক্ষামন্ত্রী মাইক হাতে নিয়ে সভায় শুধু ব্যবসায়ীদের রেখে অন্যদের বের করে দেন। এ সময় সভামঞ্চে থাকা অতিথিদেরও বের করে দিয়ে একাই মাইক হাতে সভা পরিচালনা করেন তিনি।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, তাঁর সভায় কোনো সাংবাদিককে দাওয়াত দেওয়া হয় না। তারপরও অনেক সাংবাদিক উপস্থিত হন। তিনি আরও বলেন, কেউ হট্টগোলের চেষ্টা, ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করবেন না। তিনি ফেসবুকের রাজনীতি করেন না বলেও মন্তব্য করেন। পুলিশ ওই দিনের ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখছে জানিয়ে ভিডিও দেখে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র রহিমানগরকে পৌরসভা ঘোষণা করবেন। এ সময় তিনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, তাঁরা পৌরসভা চান কি না।

মো. মিলন গাজীর সভাপতিত্বে এবং এম আর মিজান মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায়, কচুয়া থানার ওসি আজিজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির নেতা সলিম উল্যাহ সেলিমসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, বাজার কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement