পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার দেবীপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার প্রভাষক (ইংরেজি) মো. সরোয়ারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। তার বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা থাকার বিষয়টি সামনে আসার পর এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করে। নোটিশে মো. সরোয়ারকে অভিযোগের বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, মো. সরোয়ার ২০২২ সালে বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালীর কদভানু মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ২০২২ সালের মার্চ মাসে বেতাগী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটির নম্বর ১১। মামলার এজাহারে মো. সরোয়ারকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলা হওয়ার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে তিনি পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার দেবীপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় প্রভাষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, মো. সরোয়ারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলো একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের জন্য অত্যন্ত গুরুতর ও অনভিপ্রেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পরিপন্থি বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে তার লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এফএস