ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
দণ্ড পাওয়া ‘১০৪ বছরের’ আসামির আত্মসমর্পণ!
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জে এক দোকানে ডাকাতির পর দুই জনকে হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া আসামি নুর মোহাম্মদকে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আসামির বয়স ১০৪ বছর বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী। 


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন চান তিনি। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান।


তিনি বলেন, অসুস্থ বিবেচনায় নিজ খরচে পরিবহনে করে কারাগারে যাওয়ার আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদনও নামঞ্জুর করেন।


আদালত সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় দোকান মালিক মো. ফেরদৌসের দোকানে ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে ডাকাতি করতে গিয়ে মোশাররফ হোসেন ও আ. কবিরকে হত্যা করা হয়। দোকানের সিন্দুক থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। 


এ ঘটনায় ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। 


মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।


জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডও দেয়া হয় তাদের। তবে মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া মারা যান। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট উচ্চ আদালত আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। নুর মোহাম্মদের ১০ বছরের সাজা হয়।


আজ বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পন করে আপিলের শর্তে জামিন চান নুর মোহাম্মদ। তারপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফয়সাল আহমেদ। শুনানিতে তিনি বলেন, তার বয়স ১০৪ বছর। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না। তাকে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয়। তিনি জটিল রোগে আক্রান্ত। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। আপিলের শর্তে জামিন প্রার্থনা করছি। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


এ মামলায় নুর মোহাম্মদ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক হন। রায়ের সময় তিনি পলাতক ছিলেন।


টিআইএস

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement