ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ২০
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে বিএনপির দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে সোনাপুর বাজার ও ফুকরা বাজারের মাঝামাঝি উপজেলা পাকা সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সালথা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক, সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা, গ্রাম্য মাতুব্বর ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন সাখাওয়াতের (সাখাওত) সঙ্গে একই ইউনিয়নের বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সরোয়ার হোসেনের সমর্থক জোগারদিয়া গ্রামের মৃত মোসলেম মাতুব্বরের ছেলে টুকু মাতুব্বরকে নিজেদের দলে ভেড়ানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, টুকু মাতুব্বরের ওপর হামলার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।

খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সরোয়ার হোসেনের সমর্থক টুকু মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার দলীয় লোকজনকে বিভিন্নভাবে চাপ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জয়নুল আবেদীন সাখাওয়াত তার দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছেন। গতকাল সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে এসে তার দলে মিশতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পর সোমবার বিকেলে আমি সোনাপুর বাজারে গেলে জয়নুল আবেদীনের চাচাতো ভাই হৃদয়সহ কয়েকজন আমার ওপর হামলা করে। তারা আমার মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায় এবং আমাকে মারধর করে। এ ঘটনার জেরেই আজকের সংঘর্ষ।’

তবে টুকু মাতুব্বরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন সাখাওয়াত। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দলে ভেড়ানোর জন্য কোনো ধরনের চাপ দিইনি। বরং ফুকরা গ্রামের ফজলু ও টুকু মাতুব্বর আমার চাচাতো ভাই হৃদয়ের শার্টের কলার ধরে। পরে বাজারে থাকা লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। এরপর তারা আবার ঢাল-সরকি নিয়ে এসে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করলে আমাদের লোকজনও একত্রিত হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।’

এ বিষয়ে সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি এলাকায় দলপক্ষ পরিচালনা করি না। আমাদের সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুল মোল্লা দল পরিচালনা করেন। আমি তার দলের একজন সমর্থক। তবে যতটুকু শুনেছি, আমাদের দলের লোকজনকে জোরপূর্বক অন্য দলে ভেড়ানোর চেষ্টা থেকেই এসব সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।’

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বুলবুল/এফএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement