বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আগামী মৌসুমে হবে না- এমন খবর গণমাধ্যমকর্মীর কাছ থেকেই জানলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অথচ ২০২৭ সালে প্রচলিত ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক কাঠামো থেকে সরে এসে নতুন মডেলে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে নিজেদের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে বিসিবি। গত ২৯ আগস্ট বিপিএলের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও ঢাকা ক্যাপিটালসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পাশাপাশি কোয়াবের সঙ্গেও আলোচনা করেছে বোর্ড। এরই মধ্যে বিসিবির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন ক্রিকেটাররা এবং দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফিও বাড়ানো হয়েছে।
আজ রোববার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন আমিনুল হক। সেখানে আগামী মৌসুমে বিপিএল না হওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি তো আপনার কাছ থেকেই মাত্র শুনলাম বিপিএল হবে না।’
২০২৭ সালে বিপিএলের প্রচলিত ফ্র্যাঞ্চাইজি কাঠামো থেকে সরে আসার প্রস্তুতি চললেও সেই পরিকল্পনার খবর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বিপিএল বন্ধের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থানও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘বিপিএল জনপ্রিয় একটি টুর্নামেন্ট। আপনারা বলছেন, বোর্ড সভাপতি কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেছেন আপনাদের সামনে। আমার কাছে মনে হয়, এই ধরনের টুর্নামেন্টগুলো প্রতি বছর হওয়া উচিত। সুতরাং এটা কেন হয়নি, তা নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের খেলাগুলো ধারাবাহিকভাবে হয়, সেই জায়গাগুলো আমরা অবশ্যই নজরদারিতে রাখব।’
বছরের পর বছর ধরে বিপিএলের আয়োজন, ব্যবস্থাপনা ও কাঠামো নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও এবার নতুন মডেলের কথা ভাবছে বিসিবি। তবে টুর্নামেন্টটি পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, হলে কী কাঠামোয় ফিরবে- এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
এর মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিকেও সামনে এনেছে।
-টিএস