জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগের প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিযুক্ত এমপিকে যশোরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বুধবার (২২ জুলাই) ‘সচেতন নারী সমাজ’-এর ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালন করা হয়।
শহরের দড়াটানা চৌরাস্তা মোড়ে আয়োজিত মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম বলেন, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা দেখেছি। রাজাকার-আলবদরদের সরাসরি সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত ও সম্ভ্রম নষ্ট করেছিল। বর্তমানে ২০২৬ সালেও তারা নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে। জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ড সেটিই প্রমাণ করে।”
মানববন্ধনে যশোরের বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রাশিদা রহমান বলেন, “একজন জামায়াত নেতা ও জনপ্রতিনিধির এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনগণের সামনে তাদের অপকর্মের থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়লে তারা বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। তবে গাজী নজরুল ইসলামের মতো একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা এমন নিন্দনীয় অভিযোগ অন্য খাতে প্রবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই। অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী শামসুন নাহার পান্নাসহ সচেতন নারী সমাজের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ। কর্মসূচি থেকে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।
এসকে/আরএন