খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, একজন নারী স্বাবলম্বী হওয়ার অর্থ হচ্ছে একটি পরিবারের সুরক্ষিত হওয়া। নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজন কর্মসংস্থান। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে যে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, তা প্রশংসনীয়।
বুধবার সকালে নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে খুলনার নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য মূলধন সহায়তা প্রদান কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উমেন ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তুলতে নেওয়া এসব কর্মসূচি সমাজে তাদের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে পরিবার আরও সুরক্ষিত হবে।
তিনি আরও বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন শুধু একটি পরিবারের আয় বাড়ায় না, বরং সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহরের ৬০০ নারী উদ্যোক্তাকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য নিয়ে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, পুষ্টি সহায়তা প্রদান এবং নারীদের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে কেসিসি প্রশাসক ১৯ জন নারী উদ্যোক্তার হাতে ব্যবসার মূলধন সহায়তা হিসেবে প্রত্যেককে ৯ হাজার টাকা করে তুলে দেন। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুন নাহার বেলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের খুলনা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কাস্টার অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার লিটন মন্ডল, এডিপি ম্যানেজার সুরভী বিশ্বাস, প্রোগ্রাম অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার আবেদা সুলতানা, সমাজসেবক মীর কায়ছেদ আলী, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, ইকবাল হোসেন মিজান, রফিকুল ইসলাম শুকুর, মুন্সী আব্দুর রব, শাম্মী চৌধুরী মলি, মো. জামাল হোসেন, মো. শাহজাহান আলী, জহির উদ্দিন লিটন ও মেহেদী হাসান বাপ্পীসহ অনেকে।
এসএমএস/এসআর