ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-এর পরিচালক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে কোনো পদ-পদবি বা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রয়োজন হয় না। আন্তরিকতা এবং চেষ্টাই যথেষ্ট।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) হাটহাজারীস্থ রিসার্চ ও ফার্ম-বেইসড ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ‘মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন আত্মমানবতার সেবায় নিয়োজিত হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণকে স্বাবলম্বী করা ও সহায়তা করার জন্য এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মকাণ্ড দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কল্যাণে এবং দেশের উন্নয়নে পরিচালিত হয়ে আসছে। আমি এই সংগঠনের একজন কর্মী হতে পেরে গর্ববোধ করি।”
তিনি আরও বলেন, “এটা সবসময় জরুরি নয় যে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতে হবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন গত ১৭ বছর ধরে যেকোনো বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কোভিড হোক বা বন্যা—দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবসময় সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে থেকেছে। সেবার জন্য কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার প্রয়োজন হয় না; আন্তরিকতা এবং চেষ্টাই যথেষ্ট। এটা জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন বারবার প্রমাণ করেছে।”
এর আগে তিনি একটি নিম গাছের চারা রোপণ করে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রাম বিভাগ এই কর্মসূচির আয়োজন করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান, সিভাসু’র কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক এবং পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) ও সিভাসু শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. একেএম সাইফুদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের (কৃষি) মনিটর প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক।
উল্লেখ্য, এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০০০ ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। সিভাসু’র হাটহাজারীস্থ রিসার্চ ও ফার্ম-বেইসড ক্যাম্পাসের পাশাপাশি দুটি স্থানীয় বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা এবং স্থানীয় ২৫ জন কৃষকের মাঝেও গাছের চারা বিতরণ করা হবে।
এমএ/আরএন