পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী এসএ ইনস্টিটিউশনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় অসহনীয় গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ঈদুল আজহার ছুটির মধ্যে বিদ্যালয়টির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যালয়টির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বর্তমানে চলমান তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ। ঈদের ছুটি শেষে রোববার বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নেয়। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সারাদিন গরমে হাঁসফাঁস করতে হয়েছে তাদের।
একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তারা চরম কষ্টে রয়েছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থও হয়ে পড়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, তাপপ্রবাহের এই সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে পরে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এতে শিক্ষার্থীদের কষ্ট পেতে হতো না।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী বলেন, “রোববার বিদ্যালয়ে এসে জানতে পারি, বকেয়া বিলের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে আমার সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। আলোচনা করা হলে বিল পরিশোধের জন্য কিছু সময় চাওয়া যেত। সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছে।”
বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মুজিবুল হক চৌধুরী বলেন, “বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বিল পরিশোধ করেনি। তাই নিয়ম অনুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধ করা হলে পুনঃসংযোগ দেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, “দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়টিতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এএস/এসআর