আদালতের পর্যবেক্ষণে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও জখমের প্রমাণ মিলেছে। রোববার রায় ঘোষণার সময় এই পর্যবেক্ষণ জানান ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেহীন।
বিচারক উল্লেখ করেন, স্বীকারোক্তি দেয়ার পর প্রত্যাহারের আবেদন না আসায় বোঝা যায় সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে। স্বামীকে পালাতে সাহায্য করেছে স্ত্রী স্বপ্না।
পরে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আলোচিত এই মামলার ১৯ দিনের মাথায় বিচার প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দিলেন আদালত।
এদিন, সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে স্বপ্না আক্তারকে এবং পৌণে ৯টায় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের রাখা হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায়।
গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে প্রতিবেশী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই রামিসার বাবা দু'জনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর পরই দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০ মে সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এরপর ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এমএ