Thursday | 19 February 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Thursday | 19 February 2026 | Epaper
BREAKING: জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী      দেশে মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      চাঁদ দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু      এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী      সেহরি, ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      অর্থনীতিতে গণতন্ত্র আনতে হবে: অর্থমন্ত্রী      জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা      

রমজানের একদিন আগেই খুলনায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে

Published : Tuesday, 17 February, 2026 at 5:13 PM  Count : 141

রমজানের আগেই খুলনায় নিত্য পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। রমজানের একদিন আগেই রোজার পণ্য কমবেশি ক্রয় করা শুরু করেছেন অনেক ভোক্তারা। ফলে এই সুযোগটি নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ি দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে খেজুরসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম। তবে সাধারণ ক্রেতারদের অভিযোগ সিন্ডিকেট করে পণ্যগুলোর দাম বাড়িয়েছেন বড় বাজারের ব্যবসায়ীরা।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মানভেদে ৩ প্রকারের খেজুরের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দাবাস খেজুর ৫ কেজি ওজনের প্রতি কাটুন ২ হাজার ৬০০ টাকা এবং জিহাদী খেজুর ১০ কেজি ওজনের এক কাটুন ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। যা গত সপ্তাহে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেছেন তারা। বস্তা খেজুর ২২০ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে তা ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এদিকে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। পাশাপাশি কাঁচা মরিচের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

খেজুরের মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বাজার এলাকার দুই ব্যবসায়ীর কথা বলেছেন, কয়েকজন পাইকারি ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে খেজুর কেনেন এ সকল ব্যবসায়ীরা। তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এ পণ্যের দাম বাড়িয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

মেসার্স গাজী ফল ঘরের মালিক বাবুল গাজী বলেন, ‘বাজারে যে সকল খেজুরের সংকট রয়েছে সেগুলোর দাম বেড়েছে। আর অন্যান্য খেজুরের দাম প্রতিকেজিতে ১০০ টাকা থেকে দেড়শ’ টাকা বেড়েছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘খুলনায় খেজুরের দাম বৃদ্ধির জন্য বড় বাজারের দুই বড় পাইকারি ব্যবসায়ী দায়ী।’ 

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর দান ফল ঘরের মালিক সানোয়ার মিয়া এবং নব রূপালী ভান্ডারের মালিক হামিদ মিয়া গত একমাস আগে চিটাগাং আমদানীকারকের কাছ থেকে ২০-৩০ গাড়ি মাল এনে মজুদ রেখেছিল। রমজান শুরু হওয়ার আগেই তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেক দোকানে বস্তার খেজুর পাওয়া যাচ্ছে না।’ 

তবে এই পাইকার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে চাননি। বড় বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আল্লাহর দান ফল ঘরে গেলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর এ প্রতিবেদকের সাথে কেউ কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। বরং তারা আড়ৎ ছেড়ে চলে যান।

অপরদিকে নর রূপালী ভান্ডারের মালিক হামিদ জানান, ‘১০০ টন খেজুর এনেছিলাম। সব বিক্রি হয়ে গেছে। বাজারে খেজুরের সংকট আছে বলে তিনিও স্বীকার করেন। তাছাড়া চিটাগাং বন্দরে মাল খালাসকে কেন্দ্র করে যে জট সৃষ্টি হয়েছিল তার প্রভাব খুলনার বাজারে পড়েছে। 

বেশি দামে বিক্রির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি। 

এদিকে বড় বাজারের ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম জানান, ‘পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত কয়েকদিন আগেও ৫০ টকায় বিক্রি হয়েছে। দাম আরও বাড়তে পারে।’ দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

বড় বাজারের পাইকারি বিক্রেতা মেসার্স আব্দুল্লাহ ভান্ডারের মালিক বলেন, ‘ফরিদপুর, মাদারীপুর এবং কুষ্টিয়া থেকে পণ্যগুলো খুলনার বাজারে আমদানি হয়। ওই তিন জেলার হাটগুলোতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে। আগামী ৩ সপ্তাহ পরে বাজারে ভাতি পেঁয়াজের আমদানি হলে দাম কিছুটা কমবে।’

তাছাড়া রসুনের দাম কেজি প্রতি ১৫ টাকা বেড়ে ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ সবজি বিক্রেতা মোঃ কাজল ইসলাম বলেন, ‘কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেড়েছে  কাঁচামরিচের দাম। তিনি ১৬০ টাকা দরে কাচামরিচ বিক্রি করছেন।

ক্রেতা আব্দুল্লাহ জানান, ‘প্রতিবছর রমজান শুরুর আগে প্রস্তুতি হিসেবে ভোক্তারা অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করেন। অনেক সময় বাজারে সংক্রট দেখা দেয়। আর এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়ে থাকে।’ 

এদিকে বেগুণ ও শসার দাম বেড়েছে বলে জানান ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা। 

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, আসন্ন রমজান মাসে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রতিদিন বাজার মনিটরিং ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে। 

এসএমএস/এসআর


LATEST NEWS
MOST READ
Also read
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close