খুলনার রূপসা উপজেলার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাইরুজ নাহার নীদ ওরফে চৈতীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক এসএম মাহাবুবুর রহমানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
সোমবার খুলনার জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রাখিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজমুন শিকদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এ মামলায় খালাসপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা ও ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কাকলী গাইন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ফাইরুজ নাহার নীদ ওরফে চৈতী নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের কাছে প্রাইভেট পড়ত। একপর্যায়ে ওই শিক্ষক মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে মেয়েটিকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ওই শিক্ষক বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে মেয়েটি। এ ঘটনায় চৈতীর মা নূর নাহার খান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
এসএস/আরএন