ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
শান্তির সূচকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা কীভাবে সেরা হল?
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ড আজ বিশ্ববাসীর কাছে সুশাসন, স্বচ্ছতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং মানুষের সর্বোচ্চ জীবনমানের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বৈশ্বিক দুর্নীতি সূচকে এই দেশগুলো বছরের পর বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রগুলোর স্থান দখল করে আছে। বহির্বিশ্বের চোখে এই দেশগুলোর সাফল্যকে কেবল উন্নত রাষ্ট্র-ব্যবস্থা, উচ্চ কর-নীতি এবং আধুনিক অর্থনীতির ফল হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আসলে এই কাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সাফল্যের অন্তরালে লুকিয়ে আছে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক এবং সাংস্কৃতিক সত্য।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সমাজগুলোর এই রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি হলো ‘পারস্পরিক সামাজিক ট্রাস্ট’ এবং আত্মসম্মান সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য মেলবন্ধন। যেখানে বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট্রে সমাজ বা প্রশাসন চলে ভয়ের সংস্কৃতি, কড়া পাহারা এবং অবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে, সেখানে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সমাজগুলো দাঁড়িয়ে আছে মানুষের ওপর অগাধ বিশ্বাস এবং মর্যাদাবোধের ওপর।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মনস্তত্ত্বের বড় ভিত্তি হলো ‘হাই সোশ্যাল ট্রাস্ট’। সমাজবিজ্ঞানীদের ভাষায়, এটি এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে একজন নাগরিক তার চারপাশের অচেনা বা পরিচিত মানুষকে সহজাতভাবেই বিশ্বাস করেন এবং অনুভব করেন যে অন্য কেউ তার সাথে প্রতারণা করবে না। দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজে মানুষের প্রথম প্রবৃত্তি হলো অবিশ্বাস। এমন সমাজে প্রতিটি মানুষকে সম্ভাব্য চোর বা প্রতারক হিসেবে ধরে নিয়ে পদে পদে কড়া পাহারা বা নথিপত্র যাচাই করা হয়। কিন্তু ডেনমার্ক বা নরওয়েতে মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে নাগরিকেরা বিশ্বাস করেন যে রাষ্ট্র এবং তাদের সহনাগরিকেরা সৎ ও দায়িত্ববান। এই পারস্পরিক ট্রাস্ট মানুষের মন থেকে এক বিরাট মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতা দূর করে দেয়। এই উচ্চ সামাজিক আস্থার কারণে সেখানে অনেক চুক্তি বা প্রশাসনিক কাজ কেবল মৌখিক কথা বা সরল বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই সম্পন্ন হয়। মানুষ যখন অনুভব করে যে সমাজ বা রাষ্ট্র তাকে বিশ্বাস করছে এবং তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তখন তার অবচেতন মন আরও বেশি বিশ্বাসী এবং আরও বেশি আত্মসম্মানি হয়ে উঠতে চেষ্টা করে। যখন মানুষ অনুভব করে যে, চারপাশের সকলেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, সকলেই সত্য বলে, তখন মানুষ ভেতর থেকে আরও সৎ হয়ে ওঠে।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সংস্কৃতিতে একটি সামাজিক ধারণা অত্যন্ত গভীরভাবে প্রোথিত রয়েছে, যাকে বলা হয় ‘জ্যানটে লও’ বা জ্যানটে আইন। এটি কোনো রাষ্ট্রীয় বা আইনি বিধান নয়, বরং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর সমাজে গভীরভাবে প্রভাব রাখা সাংস্কৃতিক নিয়ম, যা সমতা, নম্রতা এবং সমষ্টিগত ঐক্য বজায় রাখতে অত্যন্ত শক্তিশালী সামাজিক অভ্যাস। এর মূল মনস্তাত্ত্বিক সারাংশ হলো—অন্যকে নিজের চেয়ে বড় বা ছোট না ভাবার এক যৌথ আত্মসম্মানবোধ। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সমাজে বিত্ত-বৈভব প্রদর্শন করা, ক্ষমতার অপব্যবহার করা কিংবা নিজেকে সমাজের উঁচুতলার কেউ বলে জাহির করাকে অত্যন্ত খারাপ চোখে দেখা হয়। সেখানে মানুষের আত্মসম্মান কোনো বাহ্যিক বিলাস, ব্যাংক ব্যালেন্স বা ক্ষমতার চেয়ারের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি নির্ভর করে একজন ভালো, সৎ এবং দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে নিজের ভূমিকা পালনের ওপর। এই সমাজে প্রতিটি মানুষের কাজকে সমান মর্যাদা দেওয়া হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে দেশের শীর্ষ নীতিনির্ধারক, সবাইকে সমান নাগরিক মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। যখন সমাজে এই ধরনের সমতা এবং সম্মানের পরিবেশ থাকে, তখন মানুষের মনে হীনম্মন্যতা বা অন্যের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার অন্ধ লোভ জন্ম নেয় না। এই হীনম্মন্যতা ও লোভের অনুপস্থিতিই হলো দুর্নীতির সবচেয়ে বড় প্রতিরোধক।

প্রিয় পাঠক,
আপনি হয়ত জানেন, ইসলাম ধর্মে যে কয়েকটি মূল নীতি রয়েছে, যে শিক্ষা ইসলাম ধর্মে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে তার তিনটি নিম্নরূপ:

১. প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও বিশ্বাস রক্ষা

ইসলামে প্রতিশ্রুতি পালন ও আমানত রক্ষা করা ঈমানের আবশ্যিক শর্ত। ওয়াদা ভঙ্গ করাকে মুনাফেকির লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কোরআনের নির্দেশ:
"এবং তোমরা প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করো; নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে (কিয়ামতের দিন) কৈফিয়ত তলব করা হবে।" —সূরা বনী ইসরাঈল (১৭:৩৪)
"হে মুমিনগণ! তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ করো।" —সূরা আল-মায়েদা (৫:১)
"মুনাফিকের আলামত তিনটি: কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখা হলে তাতে খিয়ানত করে।" —(সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৩)
"যে ব্যক্তি আমানত রক্ষা, করে না তার কোনো ঈমান নেই; আর যে ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না, তার কোনো দ্বীন নেই।" —(সহীহ মুসলিম,হাদিস ৪৬)

২. অহংকার ও লোকদেখানো আচরণ

সম্পদ, বিত্ত কিংবা ক্ষমতার অহংকার অনুভব করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রকৃত সম্মান আল্লাহর নিকট থেকে আসে, যা বিনয় ও নম্রতার মাধ্যমেই অর্জিত হয়।

কোরআনের নির্দেশ:
"তুমি অহংকারবশত মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে দম্ভভরে চলাফেরা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো অহংকারী ও দম্ভকারীকে পছন্দ করেন না।" —সূরা লোকমান (৩১:১৮)
"তুমি ভূমিতে দম্ভভরে চলাফেরা করো না, তুমি তো কখনোই ভূগর্ভ বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় কখনোই পর্বতসম হতে পারবে না।" —সূরা আল-ইসরা (১৭:৩৭)
"যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" —(সহীহ মুসলিম, হাদিস ৯১)
"যে ব্যক্তি আল্লাহর ওয়াস্তে বিনয়ী বা নম্র হয়, আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদাকে সমুন্নত করেন।" — (সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৮৮)

৩. মানবাধিকারে সমতা ও সর্বজনীন মানবীয় মর্যাদা

ইসলামের দৃষ্টিতে সকল মানুষ এক আদম (আ.)-এর সন্তান। বংশ, জাতি, গায়ের রং বা ধন-সম্পদের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নেই; একমাত্র 'তাকওয়া' বা খোদাভীতিই শ্রেষ্ঠত্বের মূল মাপকাঠি।

কোরআনের নির্দেশ:
"নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি।" —সূরা আল-ইসরা (১৭:৭০)
"হে মানবজাতি! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি...। নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক সম্মানিত, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরহেজগার।" —সূরা আল-হুজুরাত (৪৯:১৩)

"হে মানবসকল! জেনে রাখো… কোনো আরবের ওপর কোনো অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই, আর কোনো অনারবের ওপর কোনো আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই; কোনো সাদার ওপর কালোর, কিংবা কালোর ওপর সাদার কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই—কেবলমাত্র তাকওয়া ব্যতীত।" —(মসনদে আহমাদ, হাদিস ২২৯৭৮)
"আল্লাহ তাআলা তোমাদের চেহারা কিংবা ধন-সম্পদ দেখেন না, বরং তিনি দেখেন তোমাদের অন্তর ও তোমাদের কর্ম।" —(সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৬৪)

এবার একটু গভীর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভেবে দেখুন—

কোনো জাতি যদি নিজেদের ‘মুসলিম’ বলে দাবি করে এবং কোনো মানুষ যদি বাহ্যিকভাবে ইসলামের সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিষ্ঠার সাথেই পালন করে, কিন্তু বাস্তবে তারা এমন একটি সমাজ গড়ে তোলে—

যেখানে কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না, কারো প্রতি কারো ন্যুনতম আস্থা নেই;
যেখানে সবাই উন্মত্তের মতো অর্থ-বিত্ত, সম্মান, মর্যাদা আর অন্ধ বিলাসিতার পেছনে ছুটছে;
যেখানে মানুষকে তার পেশার ভিত্তিতে ছোট-বড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়—

তবে, সেই সমাজের মানুষেরা কি আসলেই মুসলিম হতে পারে?

অন্যদিকে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মানুষের দিকে লক্ষ্য করুন। তারা চিৎকার করে কোনো বিশেষ ধর্মের অনুসারী হওয়ার দাবি করছে না, কিংবা কোনো বড় বড় বুলিও আওড়াচ্ছে না; কিন্তু তারা কাজের মাধ্যমে ইসলামের এই মৌলিক মানবিক নীতিগুলোকেই তাদের জীবন ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তাদের সমাজ হইচই ভরা নয়, বরং কর্ম ও দায়িত্ববোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অথচ পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট বলেই দিয়েছেন:

“তিনিই সেই সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন—যাতে তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে, আমল ও কর্মে তোমাদের মধ্যে কে সর্বোত্তম।” —(সূরা আল-মুলক, আয়াত: ২)

এখন আরও একটু তলিয়ে ভাবুন, যে মানুষগুলো মুখে নিজেদের মুসলিম বলে প্রচার করে, দাবি করে, আর তারাই যদি নিয়মিত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, অসত্যের আশ্রয় নেয়, আর অহংকার, মিথ্যা মর্যাদা ও সম্মানের প্রতিযোগিতায় মেতে থাকে, তবে কি তারা ইসলামের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি করছে না?

দুর্নীতির একটি অন্যতম প্রধান মনস্তাত্ত্বিক কারণ হলো ভবিষ্যতের তীব্র নিরাপত্তাহীনতা—"যদি আমার চাকরি চলে যায়, যদি আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি, তবে আমার পরিবারের কী হবে?" এই ভীতিই মানুষকে অন্যায় পথে টাকা কামাতে এবং দুর্নীতির আশ্রয় নিতে প্ররোচিত করে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো তাদের নাগরিকদের জন্য জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চিত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দিয়েছে। রাষ্ট্র যেন সেখানে অভিভাবক, নাগরিকেরা জানেন যে বিপদে পড়লে রাষ্ট্র তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। ভবিষ্যতের কোনো আতঙ্ক যখন তাড়া করে না, তখন সেই সমাজে সম্পদ জমানোর অন্ধ প্রতিযোগিতাও সৃষ্টি হয় না। এমন সমাজে মানুষেরা সততার সাথে এবং নিজের আত্মসম্মান বজায় রেখে জীবনযাপন করাকেই সাফল্য বলে মনে করে।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মনস্তত্ত্ব প্রমাণ করে যে, নৈতিক আচরণের নিয়ন্ত্রণ পুলিশ কিংবা আইন দিয়ে হয় না; এটি মানুষের বিবেক নামক মানসিক অভ্যাস এবং আত্মসম্মানবোধের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। এই দেশের নাগরিকরা কোনো শাস্তির ভয়ে সৎ থাকেন না; তারা সৎ থাকেন কারণ তারা আত্মসম্মানকে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মনে করেন। কোনো অন্যায় সুবিধা নেওয়া তাদের চোখে নিজেকেই ছোট করা। তাই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সমাজে সরকারি আমলা ও রাজনীতিবিদদের সততা প্রশ্নাতীত। সেখানে কোনো রাজনৈতিক নেতা বা কর্মকর্তা যদি কোনো ক্ষুদ্র নৈতিক পদস্খলনও ঘটান, তবে বিবেকের তাড়না এবং জনগণের তীব্র মনস্তাত্ত্বিক প্রত্যাখ্যান ও সম্মানের হানি ঘটার ভয়ে প্রায়ই তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর সামাজিক ট্রাস্ট এবং তীব্র আত্মসম্মানবোধের সংস্কৃতি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দাবিদার আমাদের এই সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে পদে পদে অবিশ্বাসের দেওয়াল এবং নজরদারির সংস্কৃতি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলে পারিবারিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা এবং আস্থার সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনকে সামনে আনার সময় এসেছে। রাষ্ট্রে যখন মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা এবং অধিকার রক্ষা হয়, তখন মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষুধা ও হীনম্মন্যতা দূর হতে শুরু করে। তাই, রাষ্ট্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে জৌলুস, বিলাসিতা ও বিত্ত-বৈভবের প্রদর্শনীর প্রচার বন্ধ করে আত্মসম্মানবোধকে জীবনের সর্বোচ্চ অহংকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত কৌশল।

-এ ইউ দৌলা, মাইন্ড-ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের গবেষক

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement