দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আধুনিক অবকাঠামো, প্রশিক্ষণসুবিধা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ বাড়াতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে এবিজি স্পোর্টস সিটি।
প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে বিস্তৃত এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ফুটবল, ক্রিকেট, স্কোয়াশ ও হকিসহ বিভিন্ন খেলার জন্য অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগও রয়েছে এখানে।
২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ক্রীড়া স্থাপনা যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফুটবলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে শুরু করে ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতা বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এসব ভেন্যু দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যবহার হচ্ছে। একই সঙ্গে স্কোয়াশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা এবং কমব্যাট স্পোর্টসের আয়োজনও এই কমপ্লেক্সের কার্যক্রমে বৈচিত্র্য এনেছে।
বাংলাদেশে খেলাধুলার বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক মাঠ, প্রশিক্ষণকেন্দ্র, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা উন্নয়নের ব্যবস্থা এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। শুধু প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকলেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, উপযুক্ত অবকাঠামো, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পৃষ্ঠপোষকতা। এবিজি স্পোর্টস সিটির উদ্যোগ এসব ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
বসুন্ধরা গ্রুপ ২০১৯ সালে স্পোর্টস সিটি গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। প্রকল্পটির লক্ষ্য বিভিন্ন খেলার জন্য অবকাঠামো তৈরি, তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের সুযোগ বাড়ানো। ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্য খেলাগুলোর জন্যও পর্যায়ক্রমে সুবিধা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফুটবলে আন্তর্জাতিক আয়োজনের সুযোগ
এবিজি স্পোর্টস সিটির অন্যতম প্রধান ভেন্যু বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা। ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরের বছর ৩ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়। এরপর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের হোম ম্যাচ, এএফসি কাপের ম্যাচ এবং দক্ষিণ এশীয় বয়সভিত্তিক নারী ফুটবল প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশে আন্তর্জাতিক ফুটবল আয়োজনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ভেন্যুর প্রাপ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। কিংস অ্যারেনার মতো মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ থাকলে জাতীয় দল ও ক্লাব পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ব্যবহারের পরিসর বাড়ে। পাশাপাশি খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও আয়োজকদের আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।
গত আগস্টে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের সংশ্লিষ্ট কারিগরি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করে। ব্রাজিল ও ভারতের মধ্যকার ফিফা প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ভেন্যুগুলোর সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনা করা হয়। কিংস অ্যারেনার মাঠ, অনুশীলন গ্রাউন্ড, খেলোয়াড়দের জিম ও পুনর্বাসনসুবিধাও পরিদর্শনের আওতায় ছিল। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের এমন পরিদর্শন দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করার সুযোগ তৈরি করে।
ফুটবলে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য শুধু ম্যাচ আয়োজন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বয়সভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিভা অন্বেষণ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর এবিজি স্পোর্টস সিটিতে একটি অনাবাসিক ফুটবল একাডেমি চালু করা হয়। ভবিষ্যতে ডরমিটরি নির্মাণের পর আবাসিক একাডেমি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও বিকাশের সুযোগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক বক্তব্যে বাংলাদেশের ফুটবলের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ফুটবল জনপ্রিয় হলেও বাংলাদেশে খেলাটি প্রত্যাশিত গুরুত্ব পায়নি। তাঁর প্রত্যাশা, স্পোর্টস কমপ্লেক্সের একাডেমি থেকে ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন ফুটবলার উঠে আসবে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়লে দেশের ফুটবলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
ক্রিকেটেও বাড়ছে কার্যক্রম
ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটের জন্যও অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটিতে। আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের খেলাও এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব আয়োজন ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া এবং আয়োজকদের জন্য বিকল্প ভেন্যু ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছে।
ক্রিকেটে প্রতিভা বিকাশের জন্য নিয়মিত ম্যাচ ও অনুশীলনের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ। স্টেডিয়ামভিত্তিক কার্যক্রমের পাশাপাশি এবিজি ক্রিকেট নেটওয়ার্কের লিগে অংশগ্রহণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমের দীর্ঘমেয়াদি ফল নির্ভর করবে প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা, খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং প্রশিক্ষণব্যবস্থার কার্যকারিতার ওপর।
স্কোয়াশ, হকি ও অন্যান্য খেলায় উদ্যোগ
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে ফুটবল ও ক্রিকেটের বাইরে অন্যান্য খেলার আয়োজনও হচ্ছে। এখানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ ১১টি দেশের খেলোয়াড় অংশ নেন। সাতটি দেশের অংশগ্রহণে কমব্যাট স্পোর্টস প্রতিযোগিতা জুলকান ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসর ‘জেডএফসি-২: প্রাইড অব বাংলাদেশ’ আয়োজন করা হয়।
এসব আয়োজনের মাধ্যমে দেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া এবং বিদেশি প্রতিযোগীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। তবে বিভিন্ন খেলায় দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির জন্য প্রতিযোগিতার পাশাপাশি প্রশিক্ষক, বিচারক, রেফারি ও সংশ্লিষ্ট কারিগরি জনবল তৈরির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
হকির জন্য একটি অ্যাস্ট্রোটার্ফ স্থাপনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি চালু হলে আধুনিক পৃষ্ঠে অনুশীলন ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ বাড়বে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের সুইমিংপুল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০টি করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্রীড়াচর্চায় সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিভা শনাক্তের সুযোগ বাড়বে।
ক্রীড়ায় বেসরকারি বিনিয়োগের ভূমিকা
বাংলাদেশে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক মাঠ, প্রশিক্ষণসুবিধা এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন খেলোয়াড়দের বিকাশে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, মাঠ রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও ইভেন্ট পরিচালনার মতো ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এই প্রকল্পের পেছনে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন। বসুন্ধরা গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহসভাপতি ও বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি মো. ইমরুল হাসান বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিতি বাড়ানো তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।
হকি ব্যক্তিত্ব আবদুস সাদেকও দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি কালের কণ্ঠে প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের মাঠ ও স্টেডিয়াম নির্মাণ, ফুটবল ও ক্রিকেটে সম্পৃক্ততা এবং হকির জন্য টার্ফ স্থাপনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও দল গঠন ও পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এলে দেশের খেলাধুলা আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।
ক্রীড়াবিদদের জন্য অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি খেলাধুলাকে তরুণদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলাও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শারীরিক সক্ষমতা, শৃঙ্খলা, দলগত কাজ এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তবে এসব সুবিধা কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নির্ভর করবে বিভিন্ন বয়স ও আর্থসামাজিক পটভূমির খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের সুযোগ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতার ওপর।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের নামে স্থাপনার পরিকল্পনা
এবিজি স্পোর্টস সিটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কয়েকটি স্থাপনার নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম ‘শাহ আলম ক্রিকেট স্টেডিয়াম’, হকি ভেন্যুর নাম ‘আবদুস সাদেক স্টেডিয়াম’ এবং সুইমিংপুলের নাম ‘আবদুস সোবহান সুইমিংপুল’ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
আবদুস সাদেক বাংলাদেশের হকির পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর নামে হকি ভেন্যুর নামকরণ করা হলে দেশের এই খেলায় তাঁর অবদান স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে আবদুস সোবহান ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের বাবা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের একজন। তিনি সাঁতারেও আগ্রহী ছিলেন এবং তৎকালীন বেঙ্গল দলের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দেশের কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী ক্লাবকে নিয়ে ক্রীড়া ও বিনোদন উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এমন আয়োজন বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং দর্শকদের জন্য ক্রীড়াভিত্তিক কার্যক্রমের পরিসর সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সব মিলিয়ে এবিজি স্পোর্টস সিটি দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণে বেসরকারি বিনিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি স্কোয়াশ, হকি এবং অন্যান্য খেলায় সুবিধা গড়ে তোলা, একাডেমির মাধ্যমে খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হচ্ছে।
তবে কোনো ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সাফল্য শুধু স্থাপনার সংখ্যা বা আন্তর্জাতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, স্থানীয় ও তরুণ খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড়দের অগ্রগতিও গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এসব ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ফল পাওয়া গেলে এবিজি স্পোর্টস সিটির অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও ক্রীড়া অবকাঠামো ও পৃষ্ঠপোষকতায় আগ্রহী হলে দেশে খেলাধুলার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
এসএস