ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
দ. এশিয়ার বৃহত্তম জাতীয় পতাকার অবকাঠামো হবে বিপ্লব উদ্যানে
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত নগরের দুই নম্বর গেটের বিপ্লব উদ্যানকে দৃষ্টিনন্দন, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।


নতুন প্রজন্মের কাছে বিপ্লব উদ্যানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরতে সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা স্থাপন করা হবে।

জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য হবে ২২৫ ফুট এবং প্রস্থ হবে ৯০ ফুট। পতাকাটিকে দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপনের পাশাপাশি এর নিচে ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরার ব্যবস্থা থাকবে।


সেখানে উই রিভোল্ট (We Revolt) এবং নিচে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ থাকবে।


মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিপ্লব উদ্যান পরিদর্শনকালে চলমান উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মেয়র।


এ সময় তিনি উদ্যানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চলমান উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন।


মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যানের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি জড়িয়ে আছে।


শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের সূচনার ইতিহাসের সঙ্গে এই স্থানের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা এখানে স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে বিপ্লব উদ্যানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে নতুনভাবে তুলে ধরা হবে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বিপ্লব উদ্যান ও মুক্তিযুদ্ধর ইতিহাসকে পরিচিত করা হবে।

 

মেয়র বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের  উই রিভোল্ট  এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের যে সূচনা হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখে বিপ্লব উদ্যানে বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্ম যাতে এই উদ্যানের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে  সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 


মেয়র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, উন্নয়নকাজে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে। 


তিনি বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্য, পরিবেশ ও নাগরিকদের চলাচলের সুবিধা বিবেচনায় রেখে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নগরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নের মাধ্যমে একই সঙ্গে নাগরিকদের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি এবং ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ সম্ভব হবে।


টিআইএস

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement