যুক্তরাজ্যে ওয়ার্ক পারমিটে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিলেটে অন্তত ৫০ জনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থানের আশায় তারা ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েটের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ওয়ার্ক পারমিটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। সেই আশ্বাসে প্রত্যেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩১ লাখ টাকা করে জমা দেন।
তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় গ্রাহকরা টাকা ফেরত কিংবা ওয়ার্ক পারমিটের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয় বলে অভিযোগ তাদের।
পরে একপর্যায়ে গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানটির অফিসে গিয়ে সেটি বন্ধ দেখতে পান। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টাও ব্যর্থ হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা। কয়েকজনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
এ ঘটনায় ৯ জন বাদী হয়ে আদালতে অভিযোগ করেছেন। এতে ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েটের মোসাররফ, সোমা ঘোষ কেয়া, মোস্তাফিজ, সাদ ও মীমসহ আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের দাবি, একই অভিযোগে এর আগে গত ২১ জুন সিলেটে মানববন্ধনও করা হয়েছিল। এরপরও প্রতিকার না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার তারা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।
অভিযোগ শোনার পর মন্ত্রী র্যাব-৯-এর অধিনায়কের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
তাদের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নেওয়া অর্থ উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এফএস