ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও নোয়াখালীতে দেখা দিয়েছে সরবরাহ সংকট। বাজারে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ না থাকায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রূপালি ইলিশ। এতে হতাশ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।
হাতিয়ার ইলিশ ঘাট হিসেবে পরিচিত চেয়ারম্যান ঘাটে প্রতিদিন ভোরে নদী থেকে মাছ নিয়ে ফিরছে অসংখ্য নৌকা। এরপর শুরু হয় মাছ নামানো, বাছাই, নিলাম ও বেচাকেনা। তবে ভরা মৌসুমের তুলনায় আড়তে ইলিশের ঝুড়ি ও সরবরাহ দুটোই কম।
বর্তমানে প্রতি কেজি ইলিশ ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত দুই বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। দাম বেশি হওয়ায় অনেকে ইলিশ না কিনে অন্য মাছের দিকে ঝুঁকছেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকাসহ ছোট মাছ নিধন এবং মা ইলিশ ধরার কারণে নদীতে ইলিশ কমে যাচ্ছে। ছোট ইলিশ বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ায় প্রজননক্ষম ইলিশের সংখ্যাও কমছে।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোয়াখালীতে ইলিশ আহরণ কমে ১৮ হাজার ৫৬৪ মেট্রিক টনে দাঁড়ালেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে ২৩ হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন হয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মান্না রহমান/এফএস