২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শুরুটা যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়াম থেকেই করেছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালেও সেই একই ভেন্যুতে ফিরছে আলবিসেলেস্তেরা। তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
দুই দলের অতীত পরিসংখ্যান অবশ্য আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলছে। কারণ, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই হারেনি তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড।
এ পর্যন্ত দুই দলের সাতটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপে দুইবার মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি-১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এবং ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনে। দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। আর ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১১৮তম মিনিটে লিওনেল মেসির বাড়িয়ে দেওয়া পাস থেকে আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা।
এবারের বিশ্বকাপে ডি মারিয়া না থাকলেও আছেন অধিনায়ক মেসি। রাউন্ড অব সিক্সটিনে মিসরের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স করে দলকে শেষ আটে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
২০১৪ সালের সেই স্মরণীয় ম্যাচের তিন ফুটবলার এবারও মাঠে নামতে পারেন। তারা হলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জাকা ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিকার্ডো রদ্রিগেজ।
এখন দেখার বিষয়, অতীতের অপরাজিত ধারাবাহিকতা ধরে রেখে সেমিফাইনালে উঠতে পারে কি না আর্জেন্টিনা, নাকি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তাদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ে সুইজারল্যান্ড।
-টিএস