বগুড়ার আদমদীঘিতে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বার্তা পাঠানোর অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মাহমুদ হাসান। তিনি ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদ হাসানের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির (১৪) এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কয়েকদিন ধরে মোবাইল ফোনে আপত্তিকর কথোপকথনের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে তারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানতে এবং জবাবদিহিতা চাইতে যান। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক কথোপকথনের বিষয়টি স্বীকার করেন বলে জানা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে মাদ্রাসা চত্বরে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা অভিযুক্ত শিক্ষককে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পরে পুলিশে সোপর্দ করেন।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এসএইচ/আরএন