📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
ফুলবাড়ীতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বাড়ছে বন্যা শঙ্কা
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
X Advertisement

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এখনো সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবুও নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমিতে পানি প্রবেশ করায় ফসলের ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চরসোনাইকাজী ও চরগোরকমন্ডল এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় পানি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এ অঞ্চলে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবেই নদ-নদীর পানি বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টায় ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী (ফুলবাড়ী ধরলা সেতু) পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ৩০ দশমিক ৪৭ মিটার, যা বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচে। দুপুর ১২টায় পানির উচ্চতা দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৪২ মিটার, অর্থাৎ বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচে। বিকেল ৩টায় পানির সমতল ছিল ৩০ দশমিক ৩৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

স্থানীয়রা জানান, ধরলা নদীর পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। তবে বারোমাসিয়া নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের পাট ও ভুট্টাক্ষেতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

চরসোনাইকাজী এলাকার বাসিন্দা সেকেন্দার আলী ও শাহ আলম বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আমন ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

একই এলাকার কৃষক জাহানুর হোসেন এবং চরগোরকমন্ডল এলাকার আব্দুল হানিফ বলেন, “ধরলা নদীর পানি বাড়ায় আমাদের আমনের বীজতলা ও পাটক্ষেত ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। বসতবাড়িতেও পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।”

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, “উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার কয়েকটি নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বর্তমানে সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এসিআর/এসআর
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707297 Advertisement: 41053012; 01550707292, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝