বাদামী রং-জমিন পছন্দ আপনার
লিখে রাখেন রসদের সব খবরাখবর
কলমের কালিঝরা নিবে–কতটুকু
জল দিলেন গাছের আগালে;
শিকড় শুকিয়ে গেলে
বৃক্ষ কীভাবে বাঁচে!
গাছের ছাল-বাকল ছেঁচে ছেনে বানিয়েছেন
বাদামী কার্ড,বেশ পুরু–আমার জন্য;
আপনার লাগে চার গজ দুই গিরা–
ভূড়িটা যে উঁয়ের ঢিবি;
বৃষ্টিধোয়া বিকালে পূবাকাশে যখন
রঙধনু নামে–ওতে লিখে দিবেন
কত ঘনমিটার রোদ আর বাতাস
কত ঘনলিটার জল লাগবে আমার;
অনুপাতের অংক মিলে না সংকটে–সবাই
চৈতি হাওয়া মেলার মাঠে হাতি ঘোড়া
মিছরির সাজ গলে গলে আঙুল গড়িয়ে যায়–
আমি কোনো সাথী না পাই;
কালের কলে যুগ চলে যায়
আমার দুঃখের মোচন নাই!
আমার দুঃখ ভালোবেসে দিয়েছিলেন
বাদামী রং-রেশন কার্ড– মনে গেথেছি
জীবনের নগ্ন গদ্যের অনুশীলন–অপেক্ষা
সুদূর রেশনের দোকান–গদিতে বসা
সেই মোটাসোটা সুখী মহাজন;
বেলা শেষে কয়াল মেপে দিবে লাল আটা, চিনি,
পানসে হলদে সয়াবিন, হ্যারিকেনের খাবার– কেরোসিন;
আবারো সবকিছু পেয়ে যাব–মেঘের ঘরে রোদ!
ডিজিটাল কার্ডে এনালগ জীবন– দয়া করে
থলেতে ভরে দিবেন ডাটা অথবা অন্যকিছু–ওতে
আমার জীবন নাই;
ভালোবাসা ছাড়া জীবন বাঁচে না
বাঁচে নাই কোনো দিন!
এমএ