পরপর কয়েকটি অভিযান পরিচালনার পর রাজশাহীর বাগমারায় জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। অভিযানে ফিলিং স্টেশনগুলোকে অবৈধভাবে তেল মজুদ করায় জরিমানা আদায় সহ পাহারা বসিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম।
গত ২৩ মার্চ উপজেলার শিকদারি বাজারের মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করে তিনি ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এছাড়াও, একই দিন রাতে উপজেলার হাটগাঙ্গপাড়া ফিলিং স্টেশনে তাঁর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ফিলিং স্টেশনগুলোতে জরিমানার পাশাপাশি খুচরা দোকানে বেশি দামে তেল বিক্রয় রোধে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। এতে বাগমারায় তেল সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
শিকদারি বাজারের মুদি ব্যবসায়ী জাহিদ সরদার বলেন, “কয়েকদিন আগে তেলের কিছুটা সমস্যা ছিল, এখন এই ফিলিং স্টেশনে নিয়মিত তেল পাওয়া যাচ্ছে।” মিজান শেখ নামের একজন বাইক চালকও নিয়মিত তেল পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী মাঝগ্রামের মমতাজ প্রাং নামের একজন কৃষক তার ডিজেল চালিত ইঞ্জিনের জন্য এই পাম্প থেকে তেল নেওয়ার কথা বলেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোকেয়া ফিলিং স্টেশনের একজন কর্মচারী বলেন, “কয়েকদিন আগে ফিলিং স্টেশনটি মাঝে মাঝে বন্ধ রাখা হতো। কিন্তু ইউএনও স্যারের অভিযানের পর থেকে সবসময় খোলা রাখা হয়। যতক্ষণ পাম্পে তেল থাকে, ততক্ষণ দেওয়া হয়।”
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম বলেন, “বৈশ্বিক কারণকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক মুনাফা করতে চেয়েছিল। আমরা অভিযান পরিচালনা করে সেটি বন্ধ করেছি। উপজেলার চারটি ফিলিং স্টেশনসহ সকল খুচরা ব্যবসায়ীদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।”
এএইচ/আরএন