সাতক্ষীরার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের গদাঘাটা গ্রামে চুরির চেষ্টার সময় স্থানীয় জনতার গণধোলাইয়ে আমানুল্লাহ নামে এক সন্দেহভাজন চোর গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়ির মালিক পলাশ সরদার ছুরিকাঘাতে আহত হন।
বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আমানুল্লাহ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত পরান মন্ডলের ছেলে। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি নিরাপত্তায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে গরু ব্যবসায়ী পলাশ সরদারের বাড়িতে গরু বিক্রির কিছু টাকা ছিল। এ তথ্য পেয়ে দুর্বৃত্তরা রাতের বেলায় বাড়ির আশপাশে অবস্থান নেয়। ভোরের দিকে পলাশ সরদার বাইরে বের হলে আমানুল্লাহ তাকে ছুরিকাঘাত করে। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং আমানুল্লাহকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এ সময় তার দুই পা ও এক হাত ভেঙে যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ঘটনার সময় আরও একজন পালিয়ে যায়।
পলাশ সরদারের স্ত্রী সুলতানা পারভীন জানান, খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাজী আবু সুলতান ও পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল সেলফোনে জানান, ঘটনাটি ডাকাতি নয়, এটা চুরির চেষ্টা। চোরেরা মোট ৩জন ছিল। তাদের নাম পাওয়া গেছে। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমজেডআর/এসআর