ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
সম্পর্ক নতুন করে শুরুর বিষয়ে একমত খলিলুর-ত্রিদেবী
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৭ পিএম আপডেট: ২৯.০৭.২০২৬ ৭:২৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে শুরুর বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

খলিলুর রহমান বলেন, আমার সঙ্গে ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তৃত কোনো বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি, এটাই নিয়ম। কারণ, এর জন্য আমাদের সময় পড়ে রয়েছে। তবে দুই দেশের সম্পর্ক রিসেটের ব্যাপারে আমরা দুজনে ঐতমত্য পোষণ করি।

তিনি বলেন, আগামীতে আমাদের দু’দেশের সম্পর্ক যাতে পারস্পরিক স্বার্থ সমুন্নত রেখে হয়। আমি বাংলাদেশ প্রথম এটা সব সময় বলি, এখনো বলছি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এ বিষয়ে আমরা একমত পোষণ করি। কোনো বিশেষ বিষয়ে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। কেবলমাত্র দু’দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে আমরা সেটা এখন রিভিউ (পর্যালোচনা) করছি এবং আমরা এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেব এবং আপনাদের তাৎক্ষণিকভাবে জানাবো।

পুশ-ইন নিয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপ হলো কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা কোনো বিশেষ বিষয়ে কথা বলিনি। কিছু কিছু ইরিটেশান (অস্বস্তি) আছে। উনিও জানেন, আমিও জানি। আমাদের এগুলো নিরসর করার প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তাতো সবাই উপলব্দি করে না। কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী, এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিশেষ ইস্যুগুলোতে কথা বলার সময়তো পড়েই আছে।

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনার প্রশ্নে তিনি বলেন, আগেই বলেছি, এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিশেষ কোনো ইস্যু নিয়ে কথা বলি নাই। আমাদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আছে, আগামী দিনে সব নিয়েই তো আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমি মনে ক‌রি, এটা প্রধানমন্ত্রীর অগ্রা‌ধিকার। তবে আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আশা করছি খুব শিগ‌গিরই এই সফরটি বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ন‌রেন্দ্র মো‌দি। 

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলা‌মের স‌ঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ‌টি পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের প্রথম সাক্ষাৎ।

সাক্ষাৎ শে‌ষে ভারতীয় হাইকমিশনার ব‌লেন, আজকের মিটিংটা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। খুব আন্তরিক পরিবেশে আলোচনাটি সম্পন্ন হয়েছে, কারণ আমাদের মূল লক্ষ্য ও বিষয়গুলো একেবারেই অভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে, এমনকি খেলাধুলার দিক থেকেও যেমন ক্রিকেট-আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক গভীর। আমরা এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছি।

দীনেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, আমি এখান থেকে অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মনে ফিরে যাচ্ছি। আপনারা জানেন যে, আমরা ভিসা খু‌লে দিয়েছি;  যাতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পেতে পারে।

হাইক‌মিশনার ব‌লেন, পানি চুক্তির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তারা নিজেদের মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করবে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো সক্রিয়ভাবে তাদের কাজ করছে এবং ভারতের সফরে সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আমরা আশাবাদী।

টিআইএস


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝